Friday, December 18, 2020

অনলাইনে টাকা আয় করার উপায়

 

অনলাইনে টাকা আয় করার উপায়ঃ

আপনি যদি নতুন হয়ে থাকেন তাহলে এই প্রশ্ন আপনার মাথায় অবশ্যই ঘুরপাক খাচ্ছে, আসলে আদৌ ঘরে বসে অনলাইনে টাকা আয় করা যায় কি না? আপনার প্রশ্নের জবাবে আমি সরাসরি বলব হ্যাঁ, অবশ্যই অনলাইন থেকে টাকা আয় করা যয়। কেউ এ বিষয়ে না জেনে আপনাকে যেটাই বলুক না কেন আপনি কারো কোন কথায় কান দিবেন না। আপনি এই বিষয়টি পরিষ্কারভাবে জেনে রাখুন বর্তমানে অনলাইন হতে বিভিন্ন উপায়ে টাকা ইনকাম করা সম্ভব হয়।
আমি বিগত ২০১৫ সাল থেকে ব্লগিং করে আসছি। ছাত্র জীবনে ব্লগে অনেক লেখালিখি করেছি এবং ব্লগিং এর জন্য অনেক শ্রম দিয়েছি। চাকরিতে আসার পর প্রফেশনাল লাইফের ব্যস্ততার কারনে ব্লগে নিয়মিত সময় দিতে পারিনি। তারপরও ছাত্র জীবন থেকে শুরু করে এখনো পর্যন্ত অনলাইন থেকে ব্লগিং করে মাসে সামান্য পরিমানে টাকা আয় করে যাচ্ছি। ছাত্র জীবনে যখন ব্লগে প্রচুর সময় দিতাম তখন মোটামুটি ভালোমানের টাকা ব্লগ থেকে আয় করতে পারতাম।

মোবাইল দিয়ে টাকা আয়ঃ

বর্তমানে সবার হাতে হাতে স্মার্টফোন এবং ইন্টারনেট রয়েছে। একদিকে যেমন স্বল্পমূল্যে মোবাইল কিনতে পাওয়া যায় অন্যদিকে খুব কমদামে ইন্টারনেট প্যাকেজ কেনা সম্ভব হয়। সেই জন্য  বর্তমানে আরেকটি প্রশ্ন কমন হয়ে উঠেছে, আমি অনলাইনে মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করতে পারব কি না? কিংবা মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার সহজ কোন উপায় আছে কি না? আপনার এই ধরনের প্রশ্নের জবাবে আমি বলব মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার অনেক ভালোমানের উপায় রয়েছে। কিন্তু মোবাইল দিয়ে সহজে আয় করার কোন ধরনের উপায় নেই।

আপনি মোবাইল দিয়ে মাসে ২০০-৩০০ ডলার অনলাইন হতে আয় করতে পারবেন। তবে মোবাইল দিয়ে আয় করার জন্য আপনাকে শ্রম দিতে হবে এবং তুলনামূলকভাবে যাদের কম্পিউটার বা ল্যাপটপ আছে তাদের তুলনায় আপনাকে আরো বেশি পরিশ্রম করতে হবে।

কিভাবে মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করবেন?

আপনি চেষ্টা করলে নিয়মিত কিছু সময় ব্যয় করে আপনার হাতে থাকা মোবাইল দিয়ে অনলাইন হতে টাকা আয় করতে পারবেন। তবে একটি বিষয় জেনে রাখুন সে ক্ষেত্রে এক দিনে অথবা এক সপ্তাহ আপনার আয় শুরু হয়ে যাবে না। কাজ শুরু করে কমপক্ষে ৩-৬ মাস কোন ধরনের লাভের আশা না করে নিয়মিত কাজ করে যেতে হবে। তারপর ইনকাম শুরু হয়েগেলে নিয়মিত কাজ না করেও মাঝে মধ্যে কাজ করেও অনলাইন হতে মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করতে পারবেন।

মোবাইল দিয়ে আয় করার জন্য ইউটিউব হচ্ছে সবচাইতে সহজ ও জনপ্রিয় প্লাটফর্ম। তাছাড়া মোবাইল দিয়ে গুগল ব্লগার হতে আপনার একটি ফ্রি ব্লগ তৈরি করে ব্লগে আর্টিকেল লিখে গুগল এডসেন্স হতে মাসে মাসে অনলাইন হতে মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করতে পারবেন।

০১। YouTube হতে মোবাইল দিয়ে টাকা আয়ঃ

আপনি যদি ভ্রমন প্রিয় লোক হন তাহলে বিভিন্ন সুন্দর সুন্দর প্রকৃতিক দৃশ্যগুলো আপনার মোবাইলের ক্যামেরায় ফ্রেমবন্দী করেও এ কাজটি করতে পারেন। অথবা আপনি যে বিষয় ভালভাবে জানেন সে বিষয়ে বিভিন্ন ভিডিও টেউটরিয়াল তৈরী করেও কাজটি করতে পারেন। যারা গৃহিনী রয়েছেন তারা চাইলে বিভিন্ন রান্নার রেসিপি টিপস ও সাজগোজের করার ভিডিও তৈরি করে নিতে পারেন।

এখনকার মোবাইল ফোনে অনেক ভালোমানের ভিডিও রেকর্ডিং করা যায় বিধায় আপনি চাইলে আপনার মোবাইল দিয়ে ক্যামেরার সামনে বসে ভিডিও বানাতে পারেন অথবা ক্যামেরার সামনে আসতে না চাইলে মোবাইল দিয়ে স্ক্রিন ভিডিও রেকর্ড করে বিভিন্ন ধরনের টিউটরিয়াল ভিডিও তৈরি করতে পারেন। একটি ভিডিও তৈরি করা থেকে শুরু করে ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করা ও ভিডিও আপলোড করার যাবতীয় কাজ মোবাইলের মাধ্যমে করা যায়।

০২। ব্লগে আর্টিকেল লিখে মোবাইল দিয়ে আয়ঃ

আপনি গুগল ব্লগারে কিংবা ওয়ার্ডপ্রেসে বিনা মূল্যে একটি ব্লগ তৈরী করে নিতে পারেন। গুগল ব্লগার সম্পূর্ণ ফ্রিতে একটি ব্লগ তৈরি করার সুযোগ দিচ্ছে। তাছাড়া গুগল ব্লগার দিয়ে ব্লগ তৈরি করা খুব সহজ হওয়ায় আপনি চাইলে আপনার মোবাইল দিয়ে মাত্র ৫ মিনিটে নিজের একটি ব্লগ তৈরি করে নিতে পারেন। গুগল ব্লগার দিয়ে ব্লগ তৈরি করার বিষয়ে আমাদের ব্লগে একটি বিস্তারিত পোস্ট রয়েছে। 
তবে একটি বিষয় মরে রাখবেন ব্লগ তৈরী করে থেমে থাকলে হবে না। আপনার যে বিষয়ে পরিপূর্ণ জ্ঞান আছে, আপনি সে বিষয় নিয়ে লিখে যাবেন। এ ক্ষেত্রে হয়তো আপনি প্রথম ২-৩ মাস একটু কষ্ট করতে হবে। তাই বলে আপনি নিরাশ হয়ে থেমে থাকবেন না। আপনি প্রতিদিন নিত্য নতুন আর্টিকেল লিখতে থাকেন। আপনার বিষয়টি যদি ইউনিক এবং জ্ঞানগর্ভপূর্ণ হয় তাহলে ভিজিটর অবশ্যই আপনার ব্লগে আসবে। এ ক্ষেত্রে সফলতা পেতে আপনাকে বেশী দিন অপেক্ষা করতে হবে না। আপনি নিজে নিজেই টাকা উপার্জনের পথ সুঘম করে নিতে পারবেন।

০৩। Android Apps দিয়ে টাকা আয়ঃ

এন্ড্রয়েড এ্যাপ দিয়ে টাকা আয় করা যায় কি না? এই প্রশ্নের জবাবে আমি বলব এন্ড্রয়েড এ্যাপ দিয়ে টাকা আয় যায়। তবে সেটা খুব সীমিত এবং অস্থায়ি। অনলাইনে কিছু কিছু এন্ড্রয়েড এ্যাপ আছে যেগুলো থেকে আপনি কখনো কখনো দু-একশ টাকা আয় করতে পারবেন। তবে সেই ক্ষেত্রেও আপনাকে অনেক ঝামেলা পোহাতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে কিছু এ্যাপ রয়েছে যারা শুধুমাত্র আপনাকে বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের উপরে ক্লিক করার জন্য বলবে। কোন কোন এন্ড্রয়েড এ্যাপ ১০০ টি বিজ্ঞাপনে ক্লিক করার পর ১০০ টাকা দিয়ে থাকে। সেই ১০০ বিজ্ঞাপন আবার এক সাথে আপনাকে দেবে না। সবগুলো বিজ্ঞাপন পাওয়ার জন্য সারাদিন এটির পিছনে লেগে থাকতে হবে।

এখন আপনি নিজেই বিবেচনা করুন আপনি একজন ব্যক্তি অথচ এন্ড্রয়েড এ্যাপ শুধুমাত্র আপনাকে বিজ্ঞাপনে ক্লিক করার মত বিরক্তকর কাজ দিচ্ছে। আপনার দৃষ্টিতে এটা কোন ধরনের কাজ আপনি নিজেই বিবেচনা করে নিবেন। বিশেষকরে আমার ক্ষেত্রে এটা কোনভাবে গ্রহনযোগ কাজ নয়।
Android Apps দিয়ে টাকা আয়
আপনি যদি এন্ড্রয়েড এ্যাপ দিয়ে টাকা আয় করতে চান তাহলে গুগল প্লে-স্টোরে “Earning App, Online Income App, Recharge App লিখে সার্চ দিলে অনেক ধরনের অনলাইন আয়ের এন্ড্রয়েড এ্যাপ পেয়ে যাবেন। যেমন- অনলাইনে টাকা আয় করার বিশ্বস্ত কয়েকটি এ্যাপ হচ্ছে “MCent“, “Amulyam“, “Pocket Money“, “TaskBucks”. এই ধরনের এ্যাপগুলো ডাউনলোড করে ইনস্টল করার পর আপনাকে একেকটি এক এক ধরনের কাজ দেবে। আমি এগুলো নিয়ে বিস্তারিত লিখতে চাইছি না। কারণ এগুলো নিয়ে আমার কোন আগ্রহ নেই। তবে এ্যাপ ডাউনলোড করে ইনস্টল করলে কি করতে হবে সেটা নিজেই বুঝতে পারবেন। কারণ এই এ্যাপগুলোর কাজের ধরন খুব সহজ হয়ে থাকে।

মোবাইল দিয়ে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্টঃ

আমি আগেই বলেছি অনলাইন হতে মোবাইল দিয়ে আয় করার অনেক ভালোমানের প্লাটফর্ম রয়েছে। তবে মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করে বিকাশে পেমেন্ট নেওয়ার মত বড় ধরনের কোন অনলাইন প্লাটফর্ম এখনো পর্যন্ত নেই। যত ধরনের অনলাইনের বড় বড় মার্কেটপ্লেস আছে সবাই তাদের নিকট হতে আয়ের টাকা ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে পরিশোদ করে থাকে। 

আমি একটি জিনিস বুঝে উঠতে পারি না, কাজ শুরু করার পূর্বে অনলাইন হতে টাকা আয় করার পর সেই টাকা কিভাবে হাতে পাবন সেটা নিয়ে চিন্ত করতে হবে কেন? আপনি অনলাইনের যে কোন প্লাটফর্ম হতে টাকা আয় করুন না কেন, সেই টাকা হাতে পৌছতে কোন ধরনের সমস্যা হবে না।

বর্তমানে প্রত্যেকটি অনলাইন প্লাটফর্ম তাদের গ্রাহকের উপার্জিত টাকা বিশ্বস্ততার সহিত হাতে পৌছে দেয়। এ ক্ষেত্রে আপনার আয়ের টাকা কেবলমাত্র বিকাশের মাধ্যমে পেতে হবে এমনটা চিন্তা করা উচিত নয়। অনলাইনে সকল বড় প্লাটফর্মগুলে অধিকাংশ ক্ষেত্রে ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা হাতে পৌছে দেয়। সেই জন্য অনলাইন হতে আয়ের টাকা খুব সহজে আপনার যেকোন ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে নিতে পারবেন।তাছাড়া বিকাশ পেমেন্ট সিস্টেম এখনো পর্যন্ত শুধুমাত্র বাংলাদেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ। বিকাশ পেমেন্ট সিস্টেম বা বিকাশ এ্যাপ কোন ধরনের আন্তর্জাতিক পেমেন্ট ব্যবস্থা চালু করেনি। কাজেই বড় ধরনের প্লাটফর্মে কাজ করে অনলাইনে আয়ের টাকা বিকাশের মাধ্যমে উত্তোলন করতে পারবেন না। বাংলাদেশের যে সমস্ত ছোট খাটো অনলাইন কোম্পানি রয়েছে সেগুলো থেকে আয় করলে কেবলমাত্র বিকাশের মাধ্যমে আপনার অনলাইনের আয়ের পেমেন্ট নিতে পারবেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলেও সত্য যে, অনলাইনে আয় করার জন্য বাংলাদেশে এখানো পর্যন্ত ভালোমানের কোন কোম্পনি নেই |

অনলাইন আয়ের পরামর্শঃ

বাস্তবক্ষেত্রে অনলাইন আয়ের বিষয়টি অনেক লম্বা এবং দীর্ঘ একটা প্রসেস। আপনি চাইলে আজকে কাজ শুরু করে আগামী কাল হতে আয় শুরু করতে পারবেন না কিংবা আজ কাজ করে আগামীকাল থেকে পেমেন্ট পাওয়া শুরু হবে না। আর মোবাইল এ্যাপস দিয়ে হয়তবা আপনি এক দুই দিন ২০০/৪০০ টাকা ইনকাম করতে পারবেন কিন্তু দীর্ঘদিন আয় করে যেতে পারবেন না।

অনলাইনে ফ্রিল্যান্সিং, ব্লগিং কিংবা ইউটিউব যেটিই শুরু করুন না কেন কাজ করার জন্য আপনার অবশ্যই অভীজ্ঞতা থাকতে হবে। অভীজ্ঞতা না থাকলে আপনি যেকোন প্রতিষ্ঠান বা অনলাইন হতে ৫/৬ মাস ভালোভাবে স্টাডি করে কোন বিষয়ে অভীজ্ঞতা অর্জন করে নিবেন। তারপর ধৈর্য্যধারণ করে আরো ৫/৬ মাস আয়ের কথা চিন্তা না করে আন্তরিকতার সহিত কাজ চালিয়ে যেতে থাকবেন। আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারি কেউ ৫/৬ মাস আন্তরিকতার সাথে নিয়মিত কাজ করলে ছয় মাস পর প্রতি মাসে ২০০-৩০০ ডলার অনলাইন হতে আয় করতে পারবে।

মোবাইল দিয়ে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট

 

মোবাইল দিয়ে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট ২০২০!

onlineincomeadress.blogspot.com মোবাইল দিয়ে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট ২০২০!

মোবাইল দিয়ে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট অথবা অনলাইনে আয় করে বিকাশে পেমেন্ট নেওয়ার জন্য আজকাল গুগলে খুব বেশি পরিমানে সার্চ করা হয়! আপনি নিজেও হয়ত কখনো আগ্রহের বশে অথবা কৌতুহল বশত মোবাইল দিয়ে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট কিংবা অনলাইনে আয় করে বিকাশে পেমেন্ট নেওয়ার প্রসেসটা গুগলে সার্চ করে জেনে নেওয়ার চেষ্টা করেছেন। গুগল সার্চ রেজাল্ট হতে প্রাপ্ত অনলাইন আয়ের বিষয়ে অনেকগুলো পোস্ট পড়েও শেষ পর্যন্ত অনলাইনে আয় করে বিকাশে পেমেন্ট পাওয়ার বিষয়ে কোন সুনির্দিষ্ট তথ্য পাননি।

যদিও গুগল সহ ইউটিউবে মোবাইল দিয়ে অনলাইন হতে টাকা আয় করে বিকাশে পেমেন্ট নেওয়া অনেক তথ্য ও ভিডিও রয়েছে কিন্তু আমি চ্যালেজ্ঞ করে আপনাকে বলতে পারি যে, ইউটিউব ভিডিও দেখে কিংবা গুগলে সার্চ করে প্রাপ্ত বিভিন্ন ব্লগ হতে অনলাইনে আয় বিকাশে পেমেন্ট কিংবা মোবাইল দিয়ে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট নেওয়ার বিষয়ে আপনি কোন সুনির্দিষ্ট তথ্য পাবেন না।
অনলাইনে আয় বিকাশে পেমেন্ট বা মোবাইল দিয়ে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট নেওয়ার বিষয়ে একটি পোস্ট লেখার জন্য আমি গত তিন দিন যাবত অনলাইনে বিভিন্ন বাংলা ও ইংরেজী ব্লগ পড়াসহ কয়েকটি ইউটিউব চ্যানেলে মিনিমাম ৪০-৫০ টি ভিডিও দেখেছি। আসলে আমি যেকোন বিষয় লেখার পূর্বে আলোচ্য বিষয়ে বিস্তারিত জেনে নিয়ে তারপর ব্লগে লিখতে বসি।

atOptions = { 'key' : '1cdf95474e40b081549b94cbf79605c1', 'format' : 'iframe', 'height' : 90, 'width' : 728, 'params' : {} }; document.write(''); >কিন্তু গত তিন দিন যাবত অনলাইনে আয় বিকাশে পেমেন্ট ও মোবাইল দিয়ে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট বিষয়ে রিসার্চ করে এ বিষয়ে আমার এক ধরনের তিক্ত অভীজ্ঞ হয়েছে যেটি আমাকে খুব হতবাক করেছে। আসলে বাংলাদেশের বেশিরভাগ ইউটিউবাররা ও ব্লগাররা কেন এ ধরনের ভূল তথ্য দিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে সেটি আমি বুঝে উঠতে পারি না। ফেসবুকে গুজব রটানো আর ব্লগে লোভণীয় মিথ্যা তথ্য দেওয়া আজকাল এক ধরনের ফ্যাশন হয়ে উঠছে।

অনলাইনে আয় করে বিকাশে পেমেন্ট নেওয়ার বিষয়ে গত তিন দিনের রিসার্চের পর কিছু বাংলা ব্লগার ও ইউটিউবারদের বিষয়ে আমার যে তিক্ত (বাজে) অভীজ্ঞতা হয়েছে সেই অভীজ্ঞতা থেকে কিছু বাংলা ব্লগার ও ইউটিউবারদের ১২ টা বাজানোর জন্য মূলত আমি এই পোস্টটি শেয়ার করছি। তাছাড়া প্রকৃতপক্ষে মোবাইলের মাধ্যমে অনলাইনে আয় করে আদৌ বিকাশে পেমেন্ট নেওয়া যায় কি না সেই বিষয়েও আলোচনা করব।

atOptions = { 'key' : '1cdf95474e40b081549b94cbf79605c1', 'format' : 'iframe', 'height' : 90, 'width' : 728, 'params' : {} }; document.write(''); >অনলাইন আয় vs বাংলা ব্লগার ও ইউটিউবারঃ

২০১৫ সাল থেকে এখন অবধি প্রায় দীর্ঘ ৫ বছর যাবৎ ব্লগিং করে অনলাইনে যুক্ত আছি। আমরা ব্লগে টেক বিষয়ে বিভিন্ন ধরনের আর্টিকেল শেয়ার করি থাকি। কখনো কোন ধরনের ভূল তথ্য শেয়ার করে আমাদের পাঠকের মনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করিনি। অনলাইন হতে যতটুকো জেনেছি ততটুকো সকলের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছি। অনেকে আমাদের ব্লগ পড়ে বিভিন্ন বিষয় জানতে পেরেছেন বলে কৃতজ্ঞতা স্বীকার করেছেন। অল্পতেই পাঠকের যতটুকো ভালোবাসা পেয়েছি তাতেই আমরা সন্তুষ্ট থেকেছি। কখনো অহেতুক পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য কিংবা ব্লগে বেশি ট্রাফিক পাওয়ার আশায় লোভনীয় পোষ্ট শেয়ার করে ভূল তথ্য দেইনি।
atOptions = { 'key' : '576b2c0777bcfaee1dd9e51cb8660e23', 'format' : 'iframe', 'height' : 60, 'width' : 468, 'params' : {} }; document.write(''); ="max-width: 100%; overflow-wrap: break-word !important;" />
কিন্তু গত ৩ দিনে অনলাইনে আয় বিকাশে পেমেন্ট ও মোবাইল দিয়ে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট পাওয়ার বিষয় সংক্রান্তে অনলাইনে বিভিন্ন ব্লগ পড়ে ও ইউটিউব চ্যানেলের ভিডিও দেখে ব্লগিং এর প্রতি আমার এক ধরনের ঘৃণা চলে এসেছে। বিশেষকরে বাংলা ব্লগে গুগল এডসেন্স সাপোর্ট করার পর থেকে বাঙ্গালি ব্লগাররা এখন পোস্টের আর্টিকেল এর কোয়ালিটির চাইতে যেকোন উপায়ে ব্লগে ট্রাফিক বাড়িয়ে টাকা আয় করার বিষয়টাকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করছে। যার ফলশ্রুতিতে বাংলা ব্লগগুলো কোয়ালিটি হারিয়ে ফেলছে। এভাবে ভূল ইনফরমেশন শেয়ার করে অনলাইন হতে টাকা আয় করার কম্পিটিশন বাড়তে থাকলে একসময় বাংলা ব্লগের প্রতি মানুষের আস্থা কমে যাবে।
ইউটিউব এর ক্ষেত্রে কনটেন্ট এর কোয়ালিটির চাইতে ভিডিও এর ভিউ বৃদ্ধি করার প্রতিযোগিতা আরো প্রবল। নতুন ইউটিউবাররা কোন বিষয়ে ভালোভাবে কিছু না জেনে যেকোন বিষয়ের উপর লোভনীয় ভিডিও তৈরি করে আরো অধিক লোভনীয় ভিডিও টাইটেল ও ভিডিও Thumbnail যুক্ত করে ভিডিও কোয়ালিটির উপর কোন গুরুত্ব না দিয়েই ইউটিউবে ভিডিও আপলোড করছে। কেউ কেউ শুধুমাত্র লোভনীয় ভিডিও টাইটেল ও ভিডিও Thumbnail দিয়েই ইউটিউব চ্যানেলের ভিডিও ভিউ বৃদ্ধি করে নিচ্ছে। এই বিষয়গুলো আমাকে খুবই হতাশ করেছে!!!

নুতন ইউটিউবারদের এ ধরনের কার্যকলাপ হয়তবা মেনে নেওয়া যায়। কিন্তু যারা অনলাইনে পুরাতন এবং অভীজ্ঞ তাদের এ ধরনের এক্টিভিটিজ দেখলে আপনার কেমনটা লাগবে? বাংলাদেশের জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সার ও ইউটিউবার “ফ্রিল্যান্সার নাসিম” সাহেব আমাদের খুবই পরিচিত একজন ব্যক্তি। তাকে আমরা অনেক বড় মাপের ফ্রিল্যান্সার হিসেবে মানি। আমি নিজেও বিশ্বাস করি তিনি ফ্রিল্যান্সিং এর বিষয়ে অনেক কিছু জানেন এবং ফ্রিল্যান্স করে অনলাইন হতে অনেক টাকা আয় করছেন। কিন্তু তাঁর মত একজন অভীজ্ঞ ব্যক্তি যদি ইউটিউবে এ ধরনের ফালতু ও ভূল তথ্য দেয়, তাহলে আপনার কাছে কেমন লাগবে? নতুনদের ক্ষেত্রে এ ধরনের বিষয় স্বাভাবিক হলেও অভীজ্ঞদের ক্ষেত্রে এগুলো কোনভাবে মেনে নেওয়া যায় না। নতুনদের ব্যক্তিত্ব রক্ষা করার মত জ্ঞান না থাকলেও অভীজ্ঞরা অবশ্যই এসব ভূল ও সিলি বিষয় শেয়ার না করে ব্যক্তিত্ব রক্ষা করে চলা উচিত। মোবাইল দিয়ে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট ২০২০!
কোন ভালোমানের ইউটিউবার ও ব্লগারকে আমি কখনো ভূল তথ্য শেয়ার করতে দেখিনি। আসলে আমরা সবাই ব্লগিংকে পেসন হিসেবে না নিয়ে প্রফেশন মনেকরে আমাদের ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করার আশায় ভূল তথ্য দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করে যাচ্ছি। এতেকরে লোকজন আপনার ভূল তথ্যের উপর অনুপ্রাণিত হয়ে ব্লগে বা ইউটিউবে কাজ শুরু করছে, কিন্তু কাজ শুরু করার পর বাস্তবতা জানতে পেরে ব্লগিং ছেড়ে দিয়ে আপনার আমার মত ব্লগার ও ইউটিউবারদের গালিগালাজ করে গুষ্ঠি উদ্ধার করে ব্লগিং ছেড়ে দিচ্ছে। একজন প্রকৃত ব্লগার হিসেবে কোন ধরনের ভূল তথ্য শেয়ার করা আপনার নিকট মোটেও কাম্য নয়।

আমি আগেও বলেছি একজন ভালোমানের ইউটিউবার বা ব্লগার কখনো ভূল তথ্য শেয়ার করতে পারেন না। বাংলাদেশের জনপ্রিয় টেক ইউটিউব চ্যানেল Sohag360 এর মালিক সোহাগ ভাইকে আপনারা আদর্শ হিসেবে ধরে নিতে পারেন। আমি তার ইউটিউব চ্যানেলের কোন ভিডিওতে এখনো পর্যন্ত কোন ধরনের ভূল তথ্য শেয়ার করতে দেখিনি। একজন ব্লগার বা ইউটিউবারকে শুধুমাত্র ট্রাফিক ও আয়ের কথা চিন্তা না করে কনটেন্ট এর কোয়ালিটির প্রতি ফোকাস করা উচিত। তাহলে সেই কোয়ালিটি কনটেন্ট একজন ব্লগারকে সাফল্যের প্রান্তে নিয়ে যাবে।

ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য অনলাইনে টাকা আয় করার সেরা উপায় সমূহ সর্ম্পকে জানুন

 

ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য অনলাইনে টাকা আয় করার সেরা উপায় সমূহ সর্ম্পকে জানুন


আমাদের দেশের আয়ের তুলনায় ব্যয় অনেক । তাই অনেক পরিবার টাকার অভাবে পড়াশোনা করাতে

পারে না । কিন্তু বর্তমানে অনলাইনে কাজ আসার পড়ে অনেকে তার পড়াশোনার খরচ নিজে আয় করতে পারে  ।আজ আমি আলোচনা করবো পড়াশোনার পাশাপাশি কিভাবে আয় করা যায় । কারন

ছাত্র-ছাত্রীদের এক্সট্রা পকেট মানির জন্য অনেকে অনেক কজ করে থাকে। তারা যদি একটু চোখ কান

সজাগ রাখে টাকা আয় করে নিতে পারে । নিম্নে উক্ত কাজ গুলির সংক্ষিপ্ত আলোচনা করা হল। যা করতে

তেমন পরিশ্রম করতে হয় না । 

ডাটা এন্ট্রি জব – 

ডাটা এন্ট্রি কাজের দিন দিন চাহিদা বেড়েই চলছে। ছাত্র অবস্থা অবসরে এই কাজটি ঘড়ে বসে অনায়সে

করা যেতে পারে। ছোট ডাটা এন্ট্রির কাজ , কপি ও পেস্ট এর কাজ , এছাড়া আরো অনেক ছোট ডাটা

এন্ট্রির কাজ আছে যা আপনি অনায়াসে করে আয় করতে পারেন অর্থ । আমার জানা মতে আপনি এসব

সাইটে কাজ করে আয় করতে পারেন তা হলো :  

www.macroworks.com         .www.jobboys.com  এখানে আপনি কাজ করতে পারেন ।  

ফিলান্সিং কাজ করে আয় : 

আমাদের দেশে ও পৃথিবীর সব দেশে প্রতিনিয়তই ফ্রিলান্সিং কাজের চাহিদা বেড়েই চলছে। ফ্রিলান্সিং

ছাত্রছাত্রী আরেকটি মহৎ জব বলে আমি মনে করি। কেননা নেই কোন বাঁধা ধরা সময়, নেই কোন টাকা

ইনভেস্টমেন্ট বিষয়। যখন খুশি যেখানে খুশি আপনি কাজ করতে পারেন। ফ্রিলান্সিং এর জন্য যোগ্যতা

কোন বালাই নেই, যে কেউ কাজ করতে পারে। ফিলান্সিং সাইট গুলোতে বিভিন্ন ধরনের কাজ পাওয়া

যায়। অতএব যারা নতুন তারাও কাজ পেতে পারে। ফ্রিলান্স সাইট গুলির মধ্যে যেমন – 

up-work,  Odesk,  Freelance, Guru ইত্যাদি আরও এ রকম অনেক ফিলান্সিং সাইট

রয়েছে। আপনি চাইলে এ সমষ্ত সাইটে কাজ করে আয় করতে পারেন টাকা । 

ব্লগিং করে আয় : 

সবচেয়ে সহজ ও সুন্দর আজীবন টাকা আয়ের মাধ্যম হল ব্লগিং। ব্লগ হচ্ছে মূলত ওয়েব ডাইরি এই ওয়েব

ডাইরির মধ্যে আমরা বিভিন্ন আর্টিকেল লিখে বিভিন্ন কম্পানির মাধ্যমে আমরা টাকা আয় করতে

পারি।  একটি ব্লগ তৈরি করা যায়। ব্লগ তৈরি করার জন্য কোন পয়সা বা ডলার লাগে না। বিষয়

নির্ধারণ করে আপনি ২ থেকে ৩ মাস নিয়মিত অর্থাৎ দিনে একটি বা তার বেশি টিউন লিখুন দেখবেন

সফল্যে দোরগোড়ায় আপনি পৌঁছে গেছেন। একজন সফল ব্লগার হতে পারলে আপনাকে আর পেছন ফিরে

তাকাতে হবে না। ব্লগ তৈরি করার জন্য অনেক প্লাটফর্ম আছে,  

তার মধ্যে আমি যেটি ভালো ও সহজ মনে করি সেটি www.bloger.com           

আর্টিকেল রাইটিং 

যাদের লেখালিখির জ্ঞান আছে তারা অনায়সে আর্টিকেল রাইটিং কাজ টি করতে পারে। আর্টিকেল রাইটিং

মানে কোন কিছু বিষয়ের উপর লেখা। সেটি হতে পারে আপনার পছনের ভাষাতে তবে ইংরেজিতে এই

কাজের অনেক চাহিদা রয়েছে। তবে আপনি কোন কম্পানির হয়ে কাজ করলে তাদের দেওয়া বিষয়ের

উপরেই লেখতে হবে। তবে আপনি নিজের ব্লগে আর্টিকেল লিখেও বেশ টাকা কামাতে পারেন। নেট সার্চ

করলে এ রকম অনেক সাইট পাবেন যেখানে আর্টিকেল লেখলে আপনি তার বিনিময়ে টাকা পাবেন। 

আমার জানা ভাল সাইট হলো :

https://www.closewe.com  এখানে আপনি বাংলা ও লিখতে পারেন তাতে ও আপনি টাকা পাবেন। 

প্লেয়িং গেম 

 আমাদের অনেক ছাত্র-ছাত্রী আছে যারা গেম খেলে সময় কাটায় । আপনি চাইলে গেম খেলে ও টাকা আয়

করতে পারেন । আপনি বিভিন্ন চোখ কান  খোলা রেখে যে সব ওয়েব সাইটে গেম খেলে টাকা আয় করা

যায়, সেই সাইটগুলিতে সময় দেবেন এবং সেখানে গেম খেলবেন । এক ঢিলে দুই কাজ টাকা আয় প্লাস

শখের গেম খেলা। ভাল লাগলো না বন্ধুরা । 

 তবে আর সময় নস্ট না করে আজিই শুরু করে দিন । নিজের আয় ও হবে পাশাপাশি আপনি আপনার

পরিবার কেও অর্থ দিয়ে সাহায্য করতে পারবেন । তারা ও খুশি হবে । 

ভাল থাকবেন ।  

অনলাইনে আয়: অনলাইনে আয় করার সহজ উপায়!

 এই লেখাটির উদ্দেশ্য হচ্ছে বৈধভাবে অনলাইনে উপার্জনের কিছু ভালো উৎসের খোঁজ দেওয়া।

বৈধভাবে অনলাইনে উপার্জন করা অত সহজ নয়। এর জন্য দরকার কোন নির্দিষ্ট কাজে ভালো দক্ষতা, কাজের প্রতি একাগ্রতা ও কর্মনিষ্ঠা। অনেকের এই গুণ গুলো থাকার পরও অনলাইনে ভালো পরিমাণ উপার্জন করতে পারছেন না, কারণ হয়ত তাদের অনলাইনে উপার্জনের সঠিক ধারণা নেই। এই জাতীয় মানুষদের জন্য এই লেখাটি। এখানে তাদের জন্য অনলাইনে উপার্জনের অনেক সুন্দর সুন্দর ধারণা দেওয়া হয়েছে।

বৈধভাবে অনলাইনে উপার্জনের ২০টি ভালো উৎস হল:

১। ওয়েবসাইটগুলির জন্য কার্টুন ডিজাইন করুন

২। স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার তৈরি করুন

৩। একটি আকর্ষণীয় ভিডিও চিত্রিত করুন

৪। একটি অনলাইন ভার্চুয়াল স্টোর শুরু করুন

৫। একটি অনুমোদিত ওয়েবসাইট তৈরি করুন

৬। নিবন্ধন লেখা

৭। ব্লগিং

৮। পডকাস্টিং

৯। অনলাইন গবেষণা কাজ শুরু করুন

১০। অনলাইন পরামর্শদাতা

১১। স্টক ফটোগ্রাফি

১২। ফোরাম পোস্টিং

১৩। ফোরাম মডারেটর

১৪। অতিথি লেখক

১৫। অনুবাদ

১৬। ইবুক লিখে অনলাইনে বিক্রি

১৭। ভার্চুয়াল সহকারী

১৮। সম্পাদনা এবং প্রূফরিডিং এর কাজ

১৯। একটি ডিরেক্টরি তালিকা তৈরি করুন

২০। অনলাইনে পড়ানো শুরু করুন


নিচে ২০ টি ভালো উৎস সংক্ষিপ্তভাবে আলোচনা করা হল, যা হয়ত আপনার কাজে লাগতে পারে:

১। ওয়েবসাইটগুলির জন্য কার্টুন ডিজাইন করুন:

অনেক ওয়েবসাইট মালিক ও কনটেন্ট লেখকদের বিভিন্ন কার্টুন প্রয়োজন হয়। যদি আপনি মান সম্পন্ন কার্টুন তৈরি করতে পারেন, এ কাজে ভালো পরিমাণ উপার্জন করতে পারেন।

প্রথমে দরকার কার্টুন তৈরির দক্ষতা অর্জন।

এরপর একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে কার্টুন প্রদর্শন এবং প্রচার করুন । 

যদি আপনি এ ধরনের কাজ করতে চান তাহলে odesk.com, guru.com অথবা elance.com এ গিয়ে আপনার একটি সম্পূর্ণ প্রোফাইল তৈরি করুন। এ কাজের নিয়ম গুলো জেনে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করুন। এজন্য একটি শক্ত কাস্টমার ভিত্তি করতে হবে। সকল সামাজিক মাধ্যমে প্রচার করতে হবে।

একজন কার্টুনিস্টের বছরে গড় উপার্জন প্রায় ৬৩,০০০ ডলার ।

২। স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার তৈরি করুন:

অনেক প্রতিষ্ঠানের কাজ দ্রুত ও নির্ভুল করার জন্য স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার লাগে। যোগাযোগ ও অনলাইনে বিক্রয়ের কাজ গুলো অনেকাংশে করা যায় এআই (Artificial Intelligence) ব্যবহার করে। এজন্য এআই এ দক্ষ লোকের দরকার হয়।

আপনি যদি এজন্য এআই ভালোভাবে শিখে নেন এবং দক্ষতা অর্জন করেন, তাহলে আপনার উপার্জনের দরজা খোলে যাবে।

দক্ষতা অর্জনের পর আপনি এ ধরনের কাজ করতে odesk.com, guru.com অথবা elance.com এ গিয়ে আপনার একটি সম্পূর্ণ প্রোফাইল তৈরি করুন। এ কাজের নিয়ম গুলো জেনে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করুন।

এছাড়া Google এ এআই ভিত্তিক কাজ (Artificial Intelligence related Job) দিয়ে সার্চ করে অনেক কাজের উৎস খোঁজে বের করতে পারেন।

একজন এআই পেশাদারের বছরে গড় উপার্জন প্রায় ১, ১২,০০০ ডলার বা ৯৫, ২০,০০০টাকা। প্রতি মাসে এটা হিসেব করলে ৭, ৯৩,০০০ টাকা।

৩। একটি আকর্ষণীয় ভিডিও চিত্রিত করুন:

যদি আপনি মান সম্পন্ন ও মজাদার ভিডিও তৈরি করতে পারেন, তাহলে এর মাধ্যমে প্রচুর উপার্জন করতে পারেন।

এ কাজের জন্য দরকার ভালো ক্যামেরা, মাইক্রোফোন, এডিটিং সফটওয়্যার ও উপযুক্ত কম্পিউটার। আরো দরকার ভিডিও শ্যুট করার ও এডিট করার দক্ষতা।  

প্রতিটি ভিডিওর জন্য সময়কাল অনুসারে চার্জ করতে পারেন।  একজন ভিডিওগ্রাফারের বছরে গড় উপার্জন প্রায় ৬৭,০০০ ডলার ।

৪। একটি অনলাইন ভার্চুয়াল স্টোর শুরু করুন:

আপনার নিজস্ব পণ্য বা সরবরাহকারীর পণ্য (Drop shipping) আপনার ভার্চুয়াল স্টোরে প্রদর্শন করতে পারেন।

প্রথম কাজ হল আপনাকে একটি মান সম্পন্ন ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে। আপনাকে ডোমেন ও হোস্টিং কিনতে হবে। আর WordPress ব্যবহার করতে পারেন ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য। আপনার ওয়েবসাইটির পেমেন্ট গেটওয়ে চালু করতে হবে যাতে সব দেশ থেকে মানুষ পণ্য কিনতে পারে। ওয়েবসাইটির ডিজিটাল নিরাপত্তা খুব শক্তিশালী করতে হবে। আরো কিছু প্রয়োজনীয় প্লাগইন ইনস্টল করতে হবে। আর যদি Shopify এর মাধ্যমে ওয়েবসাইট তৈরি করেন, তাহলে ডোমেন ও হোস্টিং আপনাকে কিনতে হবে না। নিরাপত্তা ব্যবস্থাও আগে থেকেই থাকবে।

দ্বিতীয় কাজ ভালো সরবরাহকারী খোঁজতে হবে। যে পণ্য গুলোর চাহিদা বেশি সেগুলো লিস্টিং করতে হবে।

তৃতীয় কাজ হল যথেষ্ঠ প্রচার প্রচারণা করতে হবে। এক্ষেত্রে ডিজিটাল মার্কেটিং এর ভালো ধারণা লাগবে। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানবেন ব্যবসার জন্য ডিজিটাল মার্কেটিং ব্লগে।

অনলাইন ভার্চুয়াল স্টোরের মাধ্যমে সীমাহীন উপার্জন করতে পারবেন। এটা নির্ভর করবে আপনার ব্যবসায়িক জ্ঞান ও দক্ষতার উপর। তবে এ টুকু বলা যায় এর দ্বারা মিলিয়ন ডলারের ব্যবসা করা সম্ভব অথচ পুঁজি লাগবে খুব কম।

৫। একটি অনুমোদিত ওয়েবসাইট তৈরি করুন:

এ পদ্ধতিতে আপনি কোন পণ্য বিক্রি করবেন না। এখানে আপনি ক্রেতাগণকে অন্য ওয়েবসাইটে রেফার করবেন এবং কমিশন পাবেন।

আপনি টার্গেট, ওয়াল-মার্ট, বা অ্যামাজনের মতো বড় বড় স্টোরের জন্য Affiliate Marketer হতে পারেন।

আফিলিয়েট মার্কেটিং এর প্রথমেই আপনাকে ভার্চুয়াল স্টোর তৈরি করতে হবে। এরপর বিক্রেতা হিসেবে অ্যামাজন ও ইবেতে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এছাড়াও আরো জনপ্রিয় এধরনের ওয়েবসাইট আছে।

এরপর আকর্ষণীয় পণ্য গুলোর লিংক আপনার স্টোরে প্রদর্শন করতে হবে।

শেষে ক্রেতাদের জন্য একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি করতে হবে। এক্ষেত্রে ডিজিটাল মার্কেটিং এর ভালো ধারণা লাগবে।        

উপার্জন নির্ভর করবে আপনার দক্ষতা ও কার্যক্রমের উপর। তবে এটা একটি ভালো প্যাসিভ উপার্জনের উৎস।

৬। নিবন্ধন লেখা:

আপনি যদি লেখায় পারদর্শী হন তাহলে যে কোন বিষয়ে নিবন্ধন লিখে ভালো পরিমাণ অর্থ উপার্জন করতে পারেন।

অনেক ওয়েবসাইটের মালিক, তাদের ওয়েবসাইটকে হালনাগাদ রাখতে লেখক খোঁজ করেন। লেখক বিষয়বস্তুর উপর নতুন লেখা দেন। এর বিনিময়ে ভালো পরিমাণ উপার্জন করেন।

নিবন্ধন লেখার কাজ আপনার কাছে আকর্ষণীয় মনে হলে এ কাজের জন্য মনস্থির করতে পারেন। যদি আপনি এ ধরনের কাজ করতে চান তাহলে odesk.com, guru.com অথবা elance.com এ গিয়ে আপনার একটি সম্পূর্ণ প্রোফাইল তৈরি করুন। এ কাজের নিয়ম গুলো জেনে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করুন।

এছাড়া Google এ নিবন্ধন লেখার কাজ (Article Writing Job) দিয়ে সার্চ করে অনেক কাজের উৎস খোঁজে বের করতে পারেন।

নতুন লেখকের জন্য প্রতি ১০০ শব্দে ০.৫০ ডলার উপার্জন করতে পারেন। আপনার লেখার মান ও নিবন্ধনের আকারের উপর নির্ভর করে প্রতিটি নিবন্ধনে ১০ থেকে ১০০ ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারেন ।

৭। ব্লগিং:

আপনি যদি লেখায় পারদর্শী হন, লেখার মাধ্যমে অন্যদের আকর্ষণ করতে পারেন এবং এ কাজে খুব মজা পান তাহলে ব্লগার হওয়ার চিন্তা করতে পারেন।

ভালো মানের ব্লগার হলে কোন বিষয় নির্বাচন করে তার উপর যথার্থ জ্ঞান অর্জন করতে হবে। একটি ব্লগিং ওয়েব সাইট তৈরি করতে হবে। এখানে ঠিক মত লেখা দিতে হবে। ওয়েবসাইটকে মনিটাইজ করতে হবে। নিয়মিত লেখা দিতে হবে। আপনার ওয়েবসাইটের যত পাঠক বাড়বে, আপনার উপার্জন তত বাড়বে।

একজন ব্লগারের বছরে গড় উপার্জন প্রায় ৩৭,৫০০ ডলার ।

৮। পডকাস্টিং :

আপনার যদি কোন বিষয়ে ভালো ধারণা থাকে এবং আপনার কণ্ঠস্বর ভালো হয়, তাহলে আপনি কনটেন্টের অডিও তৈরি করতে পারেন। অডিও রেকর্ড করতে আপনার হেডফোন, মাইক্রোফোন ও সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে। এই কাজে আপনাকে পারদর্শী হতে হবে।

পডকাস্টিং এর জন্য একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে আপলোড দিতে হবে। ওয়েবসাইটকে মনিটাইজ করতে হবে। নিয়মিত অডিও দিতে হবে। আপনার ওয়েবসাইটের যত পাঠক বাড়বে, আপনার উপার্জন তত বাড়বে।

একজন পডকাস্টারের বছরে গড় উপার্জন প্রায় ৯০,০০০ ডলার বা ৭৬, ৫০,০০০টাকা। প্রতি মাসে এটা হিসেব করলে ৬৩৭০০০ টাকা।

৯। অনলাইন গবেষণা কাজ শুরু করুন:

যে কোন জায়গায় যখন নতুন ব্যবসা করা হয় তখন গবেষণা ভিত্তিক অনেক তথ্যের প্রয়োজন হয়। এর জন্য একজন গবেষকের দরকার পড়ে।

যদি আপনার তথ্য সংগ্রহ ও রিপোর্ট লেখার অভিজ্ঞতা থাকে, তাহলে এ কাজ করতে পারেন খুব সহজেই। যেহেতু অনলাইনেই সব তথ্য পাওয়া যায়, সুতরাং অনলাইনে তথ্য সংগ্রহ করে ভালো মনের রিপোর্ট তৈরি করতে পারেন।   

যদি আপনি এ ধরনের কাজ করতে চান তাহলে odesk.com, guru.com অথবা elance.com এ গিয়ে আপনার একটি সম্পূর্ণ প্রোফাইল তৈরি করুন। এ কাজের নিয়ম গুলো জেনে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করুন। এছাড়া Google এ অনলাইন গবেষণা কাজ (Online Research job) দিয়ে সার্চ করে অনেক কাজের উৎস খোঁজে বের করতে পারেন।

প্রতি ঘন্টায় এ কাজে আপনার দক্ষতা ভেদে ৪ থেকে ৫০ ডলার উপার্জন করতে পারেন। আর কাজের আকার অনুসারে ২০০ ডলার পর্যন্ত চার্জ করতে পারেন।

১০। অনলাইন পরামর্শদাতা :

অনেকে অনলাইনে বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ খোঁজ করেন। তাদের অনেকে নিজেদের পরিচয় গোপন করে পরামর্শ পেতে পছন্দ করেন। আবার অনেকে যাতায়াতের ঝামেলায় না নিয়ে অনলাইনকেই ভালো মাধ্যম মনে করেন।

যদি আপনার কার্যকরভাবে অন্যকে পরামর্শ দেওয়ার সামর্থ্য থাকে, তাহলে আপনার জন্য এটা একটি মজার কাজ হতে পারে। এরজন্য কোন বিশেষ ডিগ্রির প্রয়োজন নেই।  

অনলাইনে পরামর্শদাতা হওয়ার জন্য একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন। কিভাবে আপনি পরামর্শ দেন তা সুন্দর করে বর্ণনা করুন। আপনি যা পারেন তাই লিখুন। অতিরিক্ত কোন কিছু লিখবেন না। পরিচিতদের মাধ্যমে কিছু কাজ করে ট্র্যাক রেকর্ড তৈরি করুন। আপনার প্রচার করতে হবে। এ ক্ষেত্রে ডিজিটাল মার্কেটিং খুব ভালো কাজ দিবে।

আপনার পরামর্শে যদি মানুষ উপকার পায়, তখন আপনি অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। আপনার কাজের দক্ষতা ভেদে প্রতি ১০০ থেকে ২০০ ডলার উপার্জন করতে পারেন।

১১। স্টক ফটোগ্রাফি:

আপনি একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে আপনার তোলা ভালো মানের ছবিগুলো প্রদর্শন করতে পারেন। এ কাজটি খুবই মজার, যদি আপনার প্যাসন হয় ছবি তোলা।

যদি আপনার ছবিগুলোর মান ভালো হয় এবং কারও কাজে লাগে, তাহলে এর মধ্যে প্রচুর উপার্জন করতে পারেন।

১২। ফোরাম পোস্টিং:

যারা আকর্ষণীয়, তথ্যবহুল ও চিন্তার উদ্রেক করে এমন সুন্দর পোস্ট লিখতে পারেন, তারা অনলাইনে এ কাজ করে ভালো পরিমাণে উপার্জন করতে পারেন।

ফোরাম কে জনপ্রিয় করতে ও অনলাইনে ভিজিটরদের দীর্ঘকালীন ধরে রাখতে ওয়েব মাস্টাররা ফোরাম পোস্টার নিয়োগ দেন। 

আপনার লেখা পোস্ট, যদি ফোরামের সদস্যদের ভালো লাগে, তাহলে আপনি এ কাজে ভালো আয় করতে পারবেন । 

যদি আপনি এ ধরনের কাজ করতে চান তাহলে odesk.com, guru.com অথবা elance.com এ গিয়ে আপনার একটি সম্পূর্ণ প্রোফাইল তৈরি করুন। এ কাজের নিয়ম গুলো জেনে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করুন।

প্রতি পোস্টে ০.১০ থেকে ০.৫০ ডলার উপার্জন করতে পারেন। আর যদি আপনি সারাদিন এ কাজে নিয়োজিত থাকেন তাহলে আপনার দক্ষতা অনুসারে ২০ থেকে ৫০০ ডলার পর্যন্ত উপার্জন করতে পারেন। 

১৩। ফোরাম মডারেটর:

একটি ফোরামে মডারেটরের অনেক কাজ থাকে। যেমন ফোরামটি কোন সমস্যা ছাড়া চলছে কিনা, সদস্যরা সব প্রশ্ন পাচ্ছেন কিনা, ঋণাত্মক মন্তব্য গুলো ব্লক করা, স্প্যাম মুছে ফেলা, অনিয়মকারীদর পোস্ট সাময়িক বন্ধ করা, ইউজারদের বিভিন্ন প্রশ্নের দেওয়া ইত্যাদি।

ফোরামে মডারেটরের কাজ আপনার কাছে আকর্ষণীয় মনে হলে এ কাজের জন্য মনস্থির করতে পারেন। যদি আপনি এ ধরনের কাজ করতে চান তাহলে odesk.com, guru.com অথবা elance.com এ গিয়ে আপনার একটি সম্পূর্ণ প্রোফাইল তৈরি করুন। এ কাজের নিয়ম গুলো জেনে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করুন। প্রতি ঘন্টায় ফোরামে মডারেটরের কাজে আপনি ৩ থেকে ২০ ডলার উপার্জন করতে পারেন।

১৪। অতিথি লেখক :

আপনি যদি কোন সুনির্দিষ্ট বিষয়ে গভীর জ্ঞান, পারদর্শিতা, অন্তর্দৃষ্টি (Insight) অর্জন করে থাকেন এবং ঐ বিষয়ে ভালো লিখতে পারেন, তাহলে অতিথি লেখক (Guest Writer) হিসেবে খুব সুনাম অর্জন করতে পারবেন।  

অতিথি লেখক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে হলে একটি ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট তৈরি করুন। এখানে আপনার পারদর্শিতা সুন্দর করে তোলে ধরুন। কাজের কিছু নমুনা দিন। আপনার প্রোফাইল যোগ করুন। বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে আপনার কাজের আগ্রহ প্রকাশ করে শেয়ার করুন এবং পরিচিত জনদের বলুন। দেখবেন একদিন আপনি অনেক কাজ পেয়েছেন এবং উপার্জন করছেন। অতিথি লেখক হিসেবে প্রতিটি লেখার জন্য ২৫ থেকে ২০০ ডলার পর্যন্ত উপার্জন করতে পারেন।

১৫। অনুবাদ:

আপনার যদি দ্বিতীয় কোন ভাষা জানা থাকে, তাহলে অনলাইনে অনুবাদের মাধ্যমে ভালো পরিমাণ উপার্জন করতে পারেন।

ফ্রিল্যান্সিং সাইট গুলোর মাধ্যমে অনুবাদের কাজ পেতে পারেন। 

এছাড়া Google এ অনুবাদের কাজ (Translation Job) দিয়ে সার্চ করে অনেক কাজের উৎস খোঁজে বের করতে পারেন।

অনুবাদের জন্য প্রতি শব্দে 0.0১ ডলার উপার্জন করতে পারেন।

১৬। ইবুক লিখে অনলাইনে বিক্রি :

আপনি লেখায় দক্ষ হলে একটি বই লিখতে পারেন। বইটির বিষয় বস্তু হতে পারে কোন বড় অনলাইন ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের ক্রয়-বিক্রয়ের নিয়ম কানুন নিয়ে। যেমন অ্যমাজন কিভাবে ক্রয়-বিক্রয় করা যায় তার বিস্তারিত তথ্য জেনে ইংরেজিতে একটি বই লিখতে পারেন। কিভাবে ইউজাররা এই নিয়ম কানুন জেনে তাদের প্রতিষ্ঠানের উপকারে আসতে পারে।

এরপর বইটিকে পিডিএফ এ রূপান্তর করতে হবে। এই বুকটিকে ঐ প্রতিষ্ঠানের ওয়েব সাইটের মাধ্যমে বিক্রির ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়া সামাজিক মাধ্যমেও প্রচার করতে পারেন। আপনার উপার্জন নির্ভর করবে বইটির মূল্য ও বিক্রির সংখ্যা উপর।

১৭। ভার্চুয়াল সহকারী:

মিটিং সময় সূচি নির্ধারণ, প্রতিদিনের কার্যাবলী সংগঠিত করা, ফোন গ্রহণ করা ইত্যাদি কাজ করতে পারেন ভার্চুয়াল সহকারী হিসেবে।

আপনি যদি গবেষণা এবং কার্যাবলী সংগঠিত করতে ভালো হন তবে আপনি ভার্চুয়াল সহকারীর কাজ নিতে পারেন।

যদি আপনি এ ধরনের কাজ করতে চান তাহলে odesk.com, guru.com অথবা elance.com এ গিয়ে আপনার একটি সম্পূর্ণ প্রোফাইল তৈরি করুন। এ কাজের নিয়ম গুলো জেনে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করুন।

এছাড়া Google এ ভার্চুয়াল সহকারীর কাজ (Virtual Assistant Job) দিয়ে সার্চ করে অনেক কাজের উৎস খোঁজে বের করতে পারেন।

প্রতি ঘন্টায় ভার্চুয়াল সহকারীর কাজে আপনার দক্ষতা ভেদে ৩ থেকে ১০০ ডলার উপার্জন করতে পারেন।

১৮। সম্পাদনা এবং প্রূফরিডিং এর কাজ:

অনেকের তাদের নিজস্ব ডিজিটাল কাজ ত্রূটিমুক্ত ও পেশাদার করার জন্য এডিটর ও প্রূফরিডার দরকার হয় ।

যদি আপনি এ ধরনের কাজ করতে চান তাহলে odesk.com, guru.com অথবা elance.com এ গিয়ে আপনার একটি সম্পূর্ণ প্রোফাইল তৈরি করুন। এ কাজের নিয়ম গুলো জেনে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করুন।

এছাড়া Google এ সম্পাদনা এবং প্রূফরিডিং এর কাজ (Editing and Proofreading jobs) দিয়ে সার্চ করে অনেক কাজের উৎস খোঁজে বের করতে পারেন।

প্রতি ঘন্টায় এ কাজে আপনার দক্ষতা ভেদে ৫ থেকে ২০ ডলার উপার্জন করতে পারেন।

১৯। একটি ডিরেক্টরি তালিকা তৈরি করুন:

যদি আপনি কোন একটি বিষয়ে খুব জনপ্রিয় ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন, তাহলে বিভিন্ন ওয়েব সাইটের একটি ডিরেক্টরি হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। এখানে বিষয় ভিত্তিক ওয়েবসাইট গুলোর লিস্ট করতে পারেন। সব ওয়েবসাইটই হাইপারলিংক করে দিতে হবে।

কিছুদিন ফ্রি রাখার পর চার্জ চালু করতে পারেন। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে লিস্টিং করতে হবে। লিস্টের প্রথম দিকে যে ওয়েবসাইট গুলো থাকবে সে গুলোর চার্জ বেশি হবে।

এজন্য একটি শক্ত কাস্টমার ভিত্তি তৈরি করতে হবে। সকল সামাজিক মাধ্যমে প্রচার করতে হবে।

উপার্জন নির্ভর করবে ওয়েবসাইটের জনপ্রিয়তার উপর। প্রতি মাসে প্রতি ওয়েবসাইটে ২০ থেকে ৫০ ডলার চার্জ করতে পারেন।

২০। অনলাইনে পড়ানো শুরু করুন:

যদি আপনার কোন একটি বিষয়ে পারদর্শিতা থাকে, তাহলে সে বিষয়ে অনলাইনে পড়ানো শুরু করতে পারেন। এটি একটি বিশাল মার্কেট। যেকোন বিষয় শেখানো, অ্যাসাইনমেন্ট তৈরি ও বাড়ির কাজ করে দিতে পারেন সহজেই। এসব কাজের চাহিদা প্রচুর।

এর জন্য প্রথমে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করুন। এখানে আপনার জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা খুব ভালোভাবে প্রদর্শন করুন। টার্গেট মার্কেট বুঝে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রচার করুন।

যদি আপনি এ ধরনের কাজ করতে চান তাহলে odesk.com, guru.com অথবা elance.com এ গিয়ে আপনার একটি সম্পূর্ণ প্রোফাইল তৈরি করুন। এ কাজের নিয়ম গুলো জেনে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করুন।

এছাড়া Google এ অনলাইনে পড়ানোর কাজ (Online Teaching job) দিয়ে সার্চ করে অনেক কাজের উৎস খোঁজে বের করতে পারেন।

প্রতি ঘন্টায় এ কাজে আপনার দক্ষতা ভেদে ৪ থেকে ২০ ডলার উপার্জন করতে পারেন।

উপসংহার:

অনলাইনে ব্যবসা করার জন্য উপরে উল্লেখিত যে ধারণা গুলো সংক্ষিপ্ত আকারে বর্ণনা করা হয়েছে, তার কোনটি আপনার সাথে মিলে তা খোঁজে বের করুন। এরপর এ ধারণা নিয়ে বিস্তারিতভাবে জ্ঞান অর্জন করুন। পরবর্তীতে কাজের পরিকল্পনা করে ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়নে নিজেকে নিয়োগ করুন। তাহলেই আপনি অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। উপার্জিত অর্থ থেকে খরচ কমিয়ে কিছু সঞ্চয় করে দীর্ঘকালীন বিনিয়োগ করলে আপনি ধনী হতে পারবেন।